আলো নিজস্ব নিউজ
মাদারীপুর ডাসার উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির অন্যতম নেতা আলহাজ্ব জাকির হোসেন হাওলাদার দীর্ঘদিন কারা ভোগের পর মুক্তি পেয়ে নিজ গ্রামের বাড়ী ডোমরা আসেন এ সময় প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে মাদারীপুর ডাসার উপজেলার ছাত্রদল, যুবদল, সেচ্ছা সেবক দল, শ্রমিকদল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেন।
১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ইং শুক্রবার মাদারীপুর ডাসার উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) অন্যতম নেতা আলহাজ্ব জাকির হেসেন হাওলাদার দীর্ঘ দিন কারা ভোগের পর মুক্তি পেয়ে নিজ গ্রামের বাড়ী মাদারীপুর ডাসারে আসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা থেকে আগত বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সাংবাদিক জনাব আসাদুজ্জামান আসাদ তালুকদার, ৬ নং "আ" রুপনগর থানা বিএনপির ঢাকা উত্তর সাধারণ সম্পাদক লুতফুল আহসান রনি, মাদারীপুর জেলা, ডাসার উপজেলা, ছাত্রদল, যুবদল, সেচ্ছা সেবক দল, শ্রমিকদল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীগণ তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেন এবং এ সময় তাকে মটর শোভাযাত্রা সহ করে মোস্তাপুর চৌঃ রাস্তা থেকে নিজ বাড়ীতে ডাসার ইউনিয়ন ডোমরা, দর্শনা উচ্চ বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছান। পৌঁছানোর পর নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য সংক্ষিপ্ত ব্যক্তবে রাখেন ।
এ সময় জকির সাহেব বলেন দেশে একটি রেজিম চলছে এই রেজিম বাংলাদেশ গণতন্ত্র হত্যা করেছে এই রেজিম মানুষের ভোটা আধিকার হরণ করেছে, বাংলাদেশের সুশাসন কে ধংস করেছে। বাংলাদেশর শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধংস করেছে।
তার একটি মাত্র কারণ হলো তারা শুধু মানুষকে অত্যাচার নির্যাতন করে তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়।
এই রেজিম অগণতান্ত্রিক সরকার, এই রেজিম শেখ হাসিনা, তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ইতিমধ্যে কোমলমতি শিশুদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভারতীয় শিক্ষা নীতিকে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছেন।
যার মাধ্যমে আমাদের ছেলে মেয়েরা শিক্ষা তো দূরের কথা তারা শিক্ষা থেকে পিছনে চলে যাচ্ছে। এবং অজ্ঞতার দিকে চলে যাচ্ছে।
আমরা আমাদের সময় যে শিক্ষা কারিকুলাম ছিল সেই কারিকুলাম কে সম্পূর্ণ নষ্ট করে দিয়ে একটি নাষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থা করে দিয়ে শিশুদের মাঝে ভারতীয় শিক্ষা বিস্তার করে অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন জুলুম অত্যাচার নির্যাতন করে বিগত দিনে কোন জালিম ফ্রেসসিস্ট সরকার টিকে থাকতে পারে নাই।
যেমন ইরাকে সাদ্দাম হোসেনের অত্যাচারে যখন ইরাকের জনগণ অতিষ্ঠ তখন সাদ্দাম হোসেনের পতন হয়েছে। লিবিয়ায় গাদ্দফির অত্যাচারী স্বৈরশাসকের শাসনে যখন মানুষ দিশেহারা তখন তার পতন হয়েছে। আপনার মুসেলিনির নাম শুনেছেন, সেই অত্যাচারী বাদশারও পতন হয়েছে।
আমরা আশা করি এই সরকার বেশি দিন অন্যায় ভাবে টিকে থাকতে পরাবে না, কারন মানুষের মেন্ডেট যে সরকারের থাকে না সেই সরকার বেশি দিন টিকে থাকতে পারে না। ইতিহাস তার প্রমান।
আমরা আনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছি আগামী দিনে এই অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করবো কিন্তু এই সরকারের কাছে মাথা নত করবেনা। আগামীতে এই অগণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে এদেশের দেশ নেতা তারেক রহমানে নেতৃত্বে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব।
এই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে দেশের মানুষ আবার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। এই জন্যই আমাদের আন্দোলন।
আমরা কাউকে বলি না আপনারা বিএনপি কে ভোটদেন আমরা চাই আপনার ভোট আপনি দেবেন যাকে খুশি তাকে দেবেন আর সেই ভোটের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হবে
[video width="1280" height="720" mp4="https://www.alonewsbd.com/wp-content/uploads/2024/02/VID_20240217_182253.mp4"][/video]
সেটি বাংলাদেশের আপামোর জন সাধারণের গণতান্ত্রিক সরকার।
এখন ৭ জানুয়ারীর ডামির নির্বচনে যে সরকারটি গঠিত হযেছে এবং দেশ পরিচালনা করছে এটি বাংলাদেশের জনগণের সরকার নয়।
আপনারা জানেন ২৮ অক্টবর ২৩ তারিখে আমাদের দলের উপর আওয়ামী পুলিশ লীগ সরকার একটি ক্রেক ডাউনের মাধ্যমে বিএনপি'র হাজার হাজার নেতাকর্মীকে জেলে বন্দীকরে রেখেছে। আমাদের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, থানা পর্যায়ের নেতাকে তারা গুম করে রেখেছে।
আপনারাও জানেন যে আমি তিনি দিন গুম ছিলাম। আজও জানিনা তারা আমাকে কোথায় রেখেছিল । আমি বলতে পারবো না এতকষ্টের কথা, এত অন্যায়ের কথা, আমি তিন দিনের মধ্যে একদিনও সূর্য আলো চোখে দেখি নাই। যেখানে রাখা হয়েছিল নিজের গায়ের জামা চোখে দেখা সম্ভব হয় নাই। এমন অন্ধকার স্থানে ।
আমি কোনদিন আশাও করি নাই আমি আপনাদের মাঝে ফিরে আসবো পারবো। এটা সম্ভব হয়েছে আল্লাহ বিশেষ রহমাত, আপনাদের দোয়া, আপনাদের ভালবাসায় আমাকে আবারও আপনাদের মাঝে ফিরিয়ে এনেছে।
আগামীতে এর চেয়েও বেশী অত্যাচার আসেলেও আমরা মাথা পেতে নিবো কিন্তু এই জালিমের কাছে মাথা করবো না।
আমাদের প্রাণ প্রিয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া ৯০ সালে স্বৈরাচার সরকারকে আন্দোলনের মাধ্যমে উৎখাত করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে এনে ছিলেন। এরাও
দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সেই দায়িত্ব আবার জিয়া পরিবারের কাছে এসেছে এবং এই জিয়া পরিবারের মাধ্যমেই বাংলাদেশে আবারো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে। ইনশাআল্লাহ
এই গণতন্ত্র আন্দোলন মুক্তিযোদ্ধে আমরা আপনানদের মাঝে আছি এবং সামনের কাতারে থেকে বুক পেতে এগিয়ে যাবো আপনার আমাদের পিছনে থাকে আমাদের সাহস যোগাবেন। এ সরকার কে আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে আর ক্ষমতায় থাকতে দিবো না।
এই গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাদারীপুর জেলা তথা, ডাসার উপজেলা বিএনপি'র অন্যতম জননেতা জনাব আনিসুল রহমান তালুকদারের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে আগামীতে যে গণতান্ত্রিক নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে জনাব আনিস রহমান তালুকদার কে ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমরা এই এলাকার সংসদ সদস্য নির্বচন করবো।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ( ঢাকা) জনাব আসাদুজ্জামান আসাদ।
তিনি বলেন রুপনগর থানায় আপনাদের অত্যন্ত দ্বায়িত্বশীল ব্যক্তি রয়েছে জাতীয়তাবাদী পরিবারের জনাব আলহাজ্ব জাকির হোসেন তিনি ঢাকা বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড, ঢাকা মহানগরে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মী হিসাবে কাজ করেছেন এবং সাংগঠনিক ভাবে দক্ষতার সাথে দ্বায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন সেই সুবাদে রূপনগর থানায় আমরা তাকে পেয়েছিলাম।
তিনি সেখানে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে রাজনৈতিক সহ-কর্মীদের মাঝে জনপ্রিয় হওয়ায় আজ আমি আপনাদের মাঝে পরিচিত হতে সক্ষম হয়েছি।
সংগ্রামী বন্ধুরা আপনারা জানেন এই আওয়ামী দুঃশাসন মধ্যে একটি অগণতান্ত্রিক নির্বাচনের করে। সেই নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে সারা বাংলাদেশকে ক্রাকে ডাউনের মাধ্যমে এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ রেখে।
আলহাজ্ব জাকির হোসেনের মত অসংখ্য নেতা কর্মীকে জেলে কারারুদ্ধ করে রেখেছিল।
তারই ধারাবাহিকতায় আপনাদের সন্তান এই জাকির হেসেন গত সারে তিন মাস কারাবদ্ধ ছিলেন আজকে তিনি মুক্তি পেয়ে আপনাদের মাঝে ফিরে এসেছেন।
আমি মনে করি জাকির সাহেব জাতীয়তাবাদী পরিবারে আগামী দিন অভিভাবক হিসেবে আর্বিভাব হয়ে আপনাদের মাঝে আবারো ফিরে এসেছে।
কোন অন্যায় অত্যাচার দুঃশাসন এ জাকির হোসেনকে দমিয়ে রাখতে পারেন নাই বরং তিনি একটি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছেন।
তিনি ২৮ এ অক্টোবরে ২৩ ইং বাংলাদেশের গণমানুষের রায়ের বিরুদ্ধে এই সরকার যে জুলুম নির্যাতন করছে এই জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন আপনাদের এই সন্তান।
আমরা ঢাকা শহরে থাকি আপনাদের এই অঞ্চল থেকে এই জাকির হোসেন কে নিবেদিতে এত কর্মীবান্ধ একজন মানুষ হিসাবে ইতিমধ্যে আমরা ঢাকা শহরে পেয়েছি।
তিনি রুপনগরে জাতীয়তাবাদী পরিবারের অত্যন্ত দায়িত্বশীল মানুষ। আমাদের সাথে অতীতে দীর্ঘদিন যাবত এই দলের সাথে যুক্ত হয়ে আমরা পরস্পরে ভাই হিসেবে পরিচয় অর্জন করেছি এবং একে অপরের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে পরিচয় নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন আমাদের পরিবার অনেক দূরে কিন্তু এই জাতীয়তাবাদী পরিবারে কাজ করতে এসে জাকির ভাই আমাদের প্রাণের ভাই হয়েছেন আপনাদেরই সন্তান।
কর্মীদের উদ্দেশ করে বলেন, সংগ্রামী বন্ধুরা আগামী দিনে আপনাদের সকল ভালো মন্দ দেখার জন্য অনেক দায়িত্ব এই জাকির ভাই নিতে পারবে তাই জাকির ভাই কে আমরা আপনাদের মাঝে রেখে গেলাম।
তিনি আরো বলেন আগামী দিনে এই ডাসার উপজেলা থেকে এই প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধে হিসেবে তার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে আন্দোলন সংগ্রামে ও সুখে দুঃখে কাজ করবেন।
এই সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ মানিক হাওলাদার আহবায়ক - ডাসার ইউনিয়ন সেচ্ছা সেবক দল।
এ সময় অনেকের উপস্থিত ছিলেন আব্দুস সাত্তার আহবায়ক ডাসার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল । মোঃ মিজান খান শ্রমিক দল ডাসার উপজেলা সাধারণ সম্পাদক। সৈয়দ শাহিন সাংগঠনিক সম্পাদক ডাসার ইউনিয়ন বিএনপি। মোঃ বাইজিদ ডাসার উপজেলা যুবদল, মোঃ জিয়া যুবদল নেতা। মোঃ রিপন ডাসার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক। মোঃ রানা ডাসার ইউনিয়ন সেচ্ছা সেবক নেতা।
আরও উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা ডাসার উপজেলা, বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীগণ এবং ডুমরা গ্রামের সাধারণ জনগণ ।