শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে ‘মামলা বাণিজ্য’, ওসি শহিদুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলবেন– মির্জা ফখরুল,, ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সভা নোয়াখালীতে জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহত পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ ‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’– মির্জা ফখরুল, ঠাকুরগাঁওয়ে চেকপোস্ট বসিয়ে সেনাবাহিনীর ব্যাপক তল্লাশি ! নোয়াখালীতে ৯৯ ব্যাচেরপুনর্মিলন ও প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন আওয়ামী লীগের সময়ে চীনের সঙ্গে একতরফা সম্পর্ক ছিল — মির্জা ফখরুল , নবীগঞ্জে সিএনজি চাপায় প্রাণ গেল ৪ বছরের শিশুর চাচার হাঁসুয়ার কোপে ভাতিজা খুন মামলা বানিজ্যে’র নামে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছেঃ ড.মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম

শহিদ মীর মুগ্ধ তোরণ’ উদ্বোধন করলেন উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

সংবাদদাতা / ২৬ বার ভিউ
সময়ঃ শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন

খুবি প্রতিনিধি :

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটককে ‘শহিদ মীর মুগ্ধ তোরণ’ নামে নামকরণ করা হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ হওয়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে এ নামকরণ করা হয়।

আজ ৯ মার্চ (রবিবার) বেলা ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।

উদ্বোধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, “মুগ্ধর পিতামাতা ও শিক্ষকরা যেন তাকে মানবিক সুন্দর করে গড়ে তুলেছিলেন। আমি মনে করি মুগ্ধর মতো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরো মুগ্ধ তৈরি হয়েছে। আন্দোলনে ছেলেটা কেন পানি নিয়ে গেল এটা আমার মাথায় আসেনা। ‘পানি লাগবে পানি’ এ কথাটি যেন আন্তর্জাতিকভাবেও নাড়া দিয়েছে। খুলনা অঞ্চলের মানুষের পানির কষ্ট ছেলেটা মনে হয় আগে থেকেই অনুভব করত। মনে হয় এই কষ্টের জায়গা থেকেই আন্দোলনে পানি দিয়েছেন। মুগ্ধ আমাদের জন্য ইতিহাস রচনা করে গেছে। আমরা মনে করতাম এই জেনারেশন কিছুই বোঝেনা পারেনা, শুধু মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকে। কিন্তু তারা প্রমাণ করলো স্বৈরাচার এর বিরুদ্ধে লড়াই করে কিভাবে সত্যকে ছিনিয়ে আনতে হয় নিয়ে আসতে হয়। শহিদদের রক্ত আমাদের নির্বাচিত করেছে। সেক্ষেত্রে আমাদের দায়িত্ব এবং দায় সবচেয়ে বেশি। নির্বাচনের আগেই মুগ্ধর খুনিদের বিচার করতে হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসে বুজলাম মৎস্য অধিগ্রহণ তাদের একটি দাবি। শিক্ষার্থীদের দাবিকে (মৎস বীজ কেন্দ্র অধিগ্রহণ) আমি মুগ্ধর দাবি হিসেবে গ্রহণ করছি।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল মজিদ তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আজ গর্বিত মুগ্ধকে নিয়ে। মুগ্ধ আসলে আগে থেকেই জানতো আমাদের অনেক পানি লাগবে। আমাদের এখন তিস্তা শুকিয়ে যাচ্ছে আসলেই অনেক পানি লাগবে।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুল আহসান বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় মুগ্ধর গর্ভে আজ উজ্জ্বল। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় যে অর্জন তার তুলনায় আয়তন খুবই ছোট। আমি এসে বুঝলাম শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির কথা বলেছে। আমি ধারণা করছি আজ মুগ্ধ বেঁচে থাকলে সেই একই দাবি নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়াতো। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৎস্যভবন দুটোই সরকারি অবস্থান আশা করি একটা সমঝোতা আসবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ ও তার পিতা। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণিত ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সৈয়দ কাশেম আলি ও পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের রাকিবুল হক।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত এবং আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনার শিক্ষক শিক্ষার্থী ও মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর পরিবার।

মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন, যিনি ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ হন। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রধান ফটকের নামকরণ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


সেহরিঃ ৪:২৯
ইফতারঃ ৬:১৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩৫
  • ১২:০৬
  • ৪:২৯
  • ৬:১৮
  • ৭:৩৩
  • ৫:৫০